নীল কাব্যঃ৩
অনেক দিনের দুঃখ শেষে তাদের দুজনের মুখে আজ রাজ্যের হাসি ফুটেছে।
দুজনেই খুশিতে প্রায় আত্তহারা।
মুখে কথা পর্জন্ত বলতে পারছেনা, তাদের চোখে এখন শুধু হাসি,খুশি নীল ভবিষ্যত এর আভা। কেন এতো খুশি তাদের তাইতো ভাবছেন?
দুজনেই বাড়ি থেকে পালিয়ে এসেছে,
তাদের ৪বছরের সম্পর্ক কে পুর্নতা দেওয়ার জন্য। তাদের উদ্দেশ্যে এখন রাজশাহী। ঢাকা থেকে রাজশাহীর উদ্দেশ্যে তারা রউনা হয়েছে। তখন সময় রাত আট টা,তারা এখন জেই বাস টিতে আছে সেটা ছাড়ার সময় হয়ে গেছে। র তাদের ও খুশি কেবল বেড়েই চলছে, বাস ঢাকা থেকে ছেড়েছে আধ ঘন্টার মতো হয়েছে,তখনই নিরবতা ভেঙে নীলা প্রথম বলল,আমরা বাকি জিবনটা রাজশাহীতেই কাটাবো কেমন,কেন ঢাকা ফেড়ার ইচ্ছে নেই?না, নেই।কারণ ঢাকাতেই জত ঝামেলা ঐখানে আমাদের কেউ খুজে পাবে না। শান্তির অন্তরাঙ্গে পৌছে জাবে আমাদের জীবন। এই কথাটুকু বলেই মিষ্টি একটি হাসি দিয়ে নীল এর কাধে মাথা রাখলো। ঠিক তখনি সকল নিরবতা ভেঙে, হাহাকার এর ছাপ পরে গেলো পুরো শহর টাতে।বিকট একটি শব্দে,
চারোদিকে এম্বুলেন্স এর ছড়া ছড়ি।
দুজনেই খুশিতে প্রায় আত্তহারা।
মুখে কথা পর্জন্ত বলতে পারছেনা, তাদের চোখে এখন শুধু হাসি,খুশি নীল ভবিষ্যত এর আভা। কেন এতো খুশি তাদের তাইতো ভাবছেন?
দুজনেই বাড়ি থেকে পালিয়ে এসেছে,
![]() |
| PH:Kawsar Ahmed Mridul |
চারোদিকে এম্বুলেন্স এর ছড়া ছড়ি।
কিছু মানুষের অঙ্গ,প্রতোঙ্গ চারোদিকে ছড়িয়ে ছিটিয়ে পরে আছে।বিভৎস এক পরিস্থিতি বিড়ল করছে সেই জাগায়।
এক পাশে নীলার মাথা ছাড়া লাসটি পরে আছে। আর নীল এর লাসটি সেই মাথা ছাড়া নীলার দেহ টিকে আঁকড়ে ধরে আছে।
বাস টি একটি ট্রাক এর সাথে সরাসরি সংঘর্ষ এর ফলে এই দুর্ঘটনাটি হয়েছিল।
অনেক নীল স্বপ্ন এভাবেই পুরোন হওয়ার আগেই বিলীন হয়ে যায়। তাদেত রাজশাহী গিয়ে নতুন ঘর বাধার স্বপ্ন এখন একটি গল্প।আর তাদের লাশ গুলো বেওয়ারিশ লাশের তালিকায়ই ঢাকা মেডিকেল এর মর্গে পড়েরয়।
আর সেই মর্গেই সমাপ্তি হলো আর ও একটি নীল কাব্যের

No comments